Mekong
Mekong Korea 앱 설치
홈화면에 추가하면 더 빠르게 이용할 수 있어요
공유 버튼 → 홈 화면에 추가
MEKONG AD
Korea life services for foreign residents
Housing, jobs, local tips and daily support in one place
OPEN

ধ্বংসের মুখে থাকা দেশে টিকে থাকার জন্য তরুণরা চরমপন্থার দিকে ঝুঁকছেSociety

N(노컷뉴스) ·2026.07.01
74
দক্ষিণ কোরিয়ার সমাজের এক উদ্বেগজনক প্রবণতা বর্তমানে সকলের নজর কাড়ছে। সম্প্রতি একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, দেশের ২০-এর দশকের তরুণদের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক, প্রায় ২৮ শতাংশ, চরম ডানপন্থী (극우) মতাদর্শের দিকে ঝুঁকছে। এই প্রবণতা কেবল একটি সংখ্যা নয়, বরং এর পেছনে রয়েছে তীব্র অর্থনৈতিক চাপ, সামাজিক অনিশ্চয়তা এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর উদ্বেগ। কোরিয়ার তরুণ প্রজন্ম নিজেদের একটি "ধ্বংসের মুখে থাকা দেশে" টিকে থাকার লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়েছে বলে মনে করছে, আর এই হতাশা থেকেই তারা এমন চরমপন্থী আদর্শের দিকে ঝুঁকে পড়ছে। বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে এবং সামাজিক মাধ্যমে এই ধরনের মতাদর্শের প্রচার ক্রমেই বাড়ছে, যা দেশের সামাজিক সংহতির জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই চরম ডানপন্থী দলগুলো বিভিন্ন সময়ে জাতিগত শ্রেষ্ঠত্ব, অভিবাসন বিরোধী মনোভাব এবং কখনও কখনও ঐতিহাসিক ঘটনাগুলির বিকৃত ব্যাখ্যা দিয়ে থাকে, যা দেশের উদার গণতান্ত্রিক কাঠামোর জন্য উদ্বেগজনক। দক্ষিণ কোরিয়ায় বসবাসকারী বিদেশী কর্মী এবং বাসিন্দাদের জন্য এই প্রবণতা কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। চরম ডানপন্থী মতাদর্শ প্রায়শই বিদেশীদের প্রতি বিদ্বেষমূলক মনোভাব পোষণ করে, যা সমাজে তাদের জন্য বিরূপ পরিবেশ তৈরি করতে পারে। কাজের স্থান, জনসমাগম বা দৈনন্দিন জীবনে অপ্রত্যাশিত বৈষম্য বা অসহযোগিতার সম্মুখীন হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যেতে পারে। বিশেষ করে, অভিবাসন বিরোধী বক্তব্যের মাধ্যমে বিদেশীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করার চেষ্টা করা হতে পারে, যা তাদের কর্মসংস্থান এবং সামাজিক অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। যদিও কোরিয়ান সরকার এবং অধিকাংশ জনগণ বিদেশীদের প্রতি সহানুভূতিশীল, চরমপন্থী গোষ্ঠীগুলোর প্রভাব বাড়লে তা সামগ্রিক সামাজিক পরিবেশে এক ধরনের টানাপোড়েন তৈরি করতে পারে। তাই বিদেশী কর্মীদের জন্য স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক গতিবিধি সম্পর্কে অবগত থাকা অত্যন্ত জরুরি। এই পরিস্থিতিতে বিদেশী কর্মীদের জন্য কিছু বিষয় জানা এবং কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা উপকারী হতে পারে। প্রথমত, কোরিয়ান সমাজের মূল ধারা এবং চরমপন্থী গোষ্ঠীগুলোর পার্থক্য সম্পর্কে সচেতন থাকা গুরুত্বপূর্ণ। বেশিরভাগ কোরিয়ান নাগরিক উদার এবং স্বাগত জানানোর মনোভাব পোষণ করেন। দ্বিতীয়ত, যদি কোনো বিদেশী কর্মী বিদ্বেষমূলক আচরণের শিকার হন, তাহলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা বা আইনি সহায়তা নেওয়া উচিত। কোরিয়ান আইন বৈষম্যের বিরুদ্ধে সুরক্ষা প্রদান করে। তৃতীয়ত, সামাজিক মাধ্যমে চরমপন্থী বা বিদ্বেষমূলক পোস্ট বা মন্তব্য থেকে সতর্ক থাকুন এবং সেগুলিতে অংশ নেওয়া থেকে বিরত থাকুন। এই ধরনের আলোচনা এড়িয়ে চলা এবং শান্তিপূর্ণ উপায়ে নিজেদের অবস্থান বজায় রাখা বুদ্ধিমানের কাজ। সর্বোপরি, কোরিয়ান ভাষা এবং সংস্কৃতি সম্পর্কে আরও গভীরভাবে জানা এবং স্থানীয় সম্প্রদায়ের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তোলা এই ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় অত্যন্ত সহায়ক হতে পারে।
Comment (0)