Korean won weakens past ₩1,420 per USD — 7-month low
Fed rate expectations drive dollar strength; remittances to home countries become more expensive
Economy
বর্তমানে দক্ষিণ কোরিয়ায় সবচেয়ে আলোচিত বিষয়গুলোর মধ্যে একটি হলো কোরিয়ান ওয়ানের (₩) ক্রমাগত পতন, যা গত সাত মাসের মধ্যে প্রথমবারের মতো প্রতি মার্কিন ডলারের বিপরীতে ১৪২০ ওয়ানের সীমা ছাড়িয়ে গেছে। এই অর্থনৈতিক অস্থিরতার প্রধান কারণ হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভের সম্ভাব্য সুদের হার বৃদ্ধি সংক্রান্ত প্রত্যাশা। যখন ডলার শক্তিশালী হয়, তখন অন্যান্য দেশের মুদ্রা, যেমন কোরিয়ান ওয়ান, দুর্বল হয়ে পড়ে। এই প্রবণতা বিনিয়োগকারীদের ডলারের প্রতি আকৃষ্ট করে এবং এটি কোরিয়ার অর্থনীতির উপর চাপ সৃষ্টি করে। এই খবরটি তাই কোরিয়াতে বসবাসকারী সকলের জন্যই প্রাসঙ্গিক, কারণ এটি সরাসরি জীবনযাত্রার ব্যয় এবং অর্থনীতির স্থিতিশীলতার উপর প্রভাব ফেলে।
এই মুদ্রার অবমূল্যায়ন বিশেষভাবে দক্ষিণ কোরিয়ায় কর্মরত প্রবাসী শ্রমিকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যখন ওয়ান দুর্বল হয়ে পড়ে, তখন তাদের নিজ নিজ দেশে টাকা পাঠানো আরও ব্যয়বহুল হয়ে যায়। উদাহরণস্বরূপ, আগে যেখানে ১০০০ মার্কিন ডলার পাঠাতে নির্দিষ্ট পরিমাণ ওয়ান লাগতো, এখন সেই একই পরিমাণ অর্থ পাঠাতে আরও বেশি ওয়ান খরচ হবে। এর ফলে প্রবাসী শ্রমিকদের সাশ্রয় করা এবং পরিবারের কাছে টাকা পাঠানো কঠিন হয়ে পড়ে। যারা কোরিয়া থেকে অর্থ উপার্জন করে পরিবারের ভরণপোষণ করেন, তাদের জন্য এটি একটি উল্লেখযোগ্য আর্থিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করে।
এই পরিস্থিতিতে, প্রবাসী শ্রমিকদের কিছু বিষয় জেনে রাখা এবং কিছু পদক্ষেপ নেওয়া সহায়ক হতে পারে। প্রথমত, মুদ্রার বিনিময় হারের উপর নজর রাখা জরুরি, কারণ এটি কখন টাকা পাঠালে সবচেয়ে লাভজনক হবে তা বুঝতে সাহায্য করে। দ্বিতীয়ত, রেমিটেন্স পাঠানোর জন্য বিভিন্ন পরিষেবার বিনিময় হার এবং ফি তুলনা করে দেখা উচিত, কারণ কিছু প্ল্যাটফর্মে অপেক্ষাকৃত ভালো হার পাওয়া যেতে পারে। প্রয়োজনে, অল্প অল্প করে টাকা না পাঠিয়ে, একটু দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করে বড় অঙ্কের টাকা পাঠানো তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী হতে পারে, যদি বিনিময় হার অনুকূলে থাকে। এই সময়ে আর্থিক পরিকল্পনা আরও সতর্কতার সাথে করা প্রয়োজন।
📰 Naver News
·원달러1420원 2026-06-28
Comment (0)